বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

সর্বশেষ: প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ধস ও বন্যার ত্রিমুখী সংকটে বাংলাদেশ! চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ১১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু

সর্বশেষ: প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ধস ও বন্যার ত্রিমুখী সংকটে বাংলাদেশ! চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে ১১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু
বিডিবি নিউজ চিত্র চট্টগ্রাম, কক্সবাজার
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

ভোর ৪টা, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬। গভীর রাতের ভয়াবহতা নিয়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে নেমে এসেছে প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগ। টানা বৃষ্টিপাতের ফলে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্ট পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আজ ভোরের আলো ফোটার আগেই এই ভয়াবহ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সারাদেশে এক স্তম্ভিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাতভর উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছেন, তবে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একদিকে যখন চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে পাহাড়ধসের মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটছে, অন্যদিকে সারা দেশ জুড়েই প্রকৃতির রুদ্র রূপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে দেশের আট বিভাগেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, দেশের কয়েকটি নদী তীরবর্তী অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদী বন্যার সতর্কতা জারি করা হয়েছে, যা আগামী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলতে পারে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে নতুন করে বহু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ইতিমধ্যেই, আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এ ধরনের অতিবৃষ্টি এবং এর ফলে সৃষ্ট পাহাড়ধস ও বন্যা এখন প্রায় নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি অঞ্চলগুলো এমনিতেই ভূমিধসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। অপরিকল্পিত বসতি স্থাপন এবং নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে এই ঝুঁকি আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও ঝুঁকি প্রবণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে সরিয়ে নেওয়ার স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এই গভীর রাতেও বহু পরিবার খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন অবস্থায় দিনাতিপাত করছে।

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। জেলা প্রশাসনগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকতে এবং সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকেও এই দুর্যোগকালীন সময়ে সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। আগামী কয়েকদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আবহাওয়া বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, যা সমগ্র জাতিকে এক গভীর উদ্বেগের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন