বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন?

রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন?
বিডিবি নিউজ চিত্র রাঙামাটি
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

গতকাল সন্ধ্যায় রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার গহীন অরণ্যে এক অভাবনীয় প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার দেশের ইতিহাসবিদ ও প্রত্নতত্ত্ববিদদের মধ্যে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে এই চাঞ্চল্যকর খবরটি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই বিশেষজ্ঞরা একে বাংলাদেশের জন্য এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে দেখছেন। স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য বনজ সম্পদ সংগ্রহ করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে মাটির নিচে চাপা পড়া এক বিশাল প্রাচীন স্থাপনার কিছু অংশ দেখতে পান, যা পরে বন বিভাগকে অবহিত করা হয়।

প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ এবং আজ গভীর রাতে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের একটি ছোট দলের তাৎক্ষণিক পরিদর্শনে যা বেরিয়ে এসেছে, তা রীতিমতো স্তম্ভিত করার মতো। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো একটি সুবিশাল বৌদ্ধ বিহার বা নগরীর ভগ্নাবশেষ। মাটির গভীরে অসংখ্য ইটের কাঠামো, পোড়ামাটির ফলক এবং কিছু অস্পষ্ট ভাস্কর্যের অবয়ব দেখা গেছে। বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য ড. ফয়সাল আহমেদ, যিনি আজ রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান, উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন, "আমরা যা দেখছি, তা যদি সত্যি হয়, তবে এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাসের পাতাও নতুন করে লিখতে বাধ্য করবে। এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন একটি সুসংগঠিত সভ্যতার অস্তিত্ব, যা আগে অজ্ঞাত ছিল, তা অবিশ্বাস্য!"

এই আবিষ্কার দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক মানচিত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। রাঙামাটির মতো পাহাড়ি অঞ্চলে, যেখানে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন কাজ খুব কম হয়েছে, সেখানে এমন বিশাল আকারের স্থাপনা আবিষ্কৃত হওয়া ঐতিহাসিকদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অঞ্চলে একসময় একটি সমৃদ্ধ ও বৃহৎ জনপদ গড়ে উঠেছিল, যার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মিয়ানমার এবং থাইল্যান্ডের প্রাচীন সংস্কৃতির যোগাযোগ থাকতে পারে। এই আবিষ্কারের ফলে বাংলাদেশের ইতিহাস, ধর্ম এবং সংস্কৃতির অজানা অধ্যায়গুলো উন্মোচিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই আবিষ্কারের তাৎক্ষণিক প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে। দেশের সর্বোচ্চ প্রত্নতাত্ত্বিক সংস্থাগুলো রাতারাতি জরুরি বৈঠক ডেকেছে। আজ গভীর রাতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে, এই এলাকাকে অবিলম্বে সুরক্ষিত ঘোষণা করে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ খনন কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রত্নতত্ত্ববিদদেরও এ বিষয়ে অবগত করা হচ্ছে। এই আবিষ্কার বাংলাদেশের পর্যটন এবং গবেষণাক্ষেত্রেও বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করবে, যা বিশ্বব্যাপী নতুন আগ্রহের জন্ম দেবে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন