আজ মঙ্গলবার গভীর রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে, যেখানে প্রশ্ন ফাঁস এবং ডিজিটাল কারসাজি সংক্রান্ত নতুন আইনের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আইনটিতে প্রশ্ন ফাঁস ও বিতরণের মতো গুরুতর অপরাধের সাজার মেয়াদে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন আইনে প্রশ্ন ফাঁস ও বিতরণের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান কমিয়ে ৫ বছর করা হয়েছে। তবে, ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন ও ডিজিটাল কারসাজিকে নতুন করে কারাদণ্ড ও জরিমানার আওতায় আনা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ দমনের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। যদিও কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সাজার মেয়াদ ও জরিমানার পরিমাণ হ্রাস করা হয়েছে, তবুও এসব অপরাধের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান থাকছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সংশোধনীগুলো পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ এবং ডিজিটাল জালিয়াতি দমনে আইনের কার্যকারিতা আরও বাড়াতে সহায়তা করবে। আশা করা হচ্ছে, এই আইনের ফলে শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। শিক্ষাবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাজার মেয়াদ কমলেও অপরাধের ব্যাপকতা রোধে এবং আধুনিক ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে।