বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

পোশাক রপ্তানিতে উদ্বেগ! অপ্রচলিত বাজারে ৪.২৫% পতন, বিশ্ব অর্থনীতির চাপ দায়ী

পোশাক রপ্তানিতে উদ্বেগ! অপ্রচলিত বাজারে ৪.২৫% পতন, বিশ্ব অর্থনীতির চাপ দায়ী
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

গত ৩০শে জুন শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি খাতে উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট পোশাক রপ্তানি কমেছে ১.৬৪ শতাংশ। তবে, সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে অপ্রচলিত বাজারগুলো থেকে, যেখানে রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় ৪.২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এই বাজারগুলোতে রপ্তানি আয় ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৬.১৬ বিলিয়ন ডলারে, যা সামগ্রিক অর্থনীতিতে এক নতুন চ্যালেঞ্জের ইঙ্গিত।

বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানিতে অপ্রচলিত বাজারগুলোর অংশীদারিত্ব ১৬.৩৬ শতাংশ থেকে কমে ১৫.৯৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। শুধু অপ্রচলিত বাজারেই নয়, সার্বিকভাবেও নিটওয়্যার রপ্তানি ৫.৮৭ শতাংশ কমে ৩.০৬ বিলিয়ন ডলারে এবং ওভেন পোশাক রপ্তানি ২.৬০ শতাংশ কমে ৩.১০ বিলিয়ন ডলারে ঠেকেছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি আয় মোট ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ৪৮.২৮ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ০.৫৮ শতাংশ কম। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে এই সময়ে ৩৮.৭ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের ৩৯.৩৫ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ১.৬৪ শতাংশ কম।

এই পতনের পেছনে মূল কারণ হিসেবে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক চাপ, ইউনিটপ্রতি রপ্তানি মূল্য হ্রাস এবং কিছু অপ্রচলিত বাজারে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া ও তুরস্গে রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক হয়েছে। বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)-এর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান এ প্রসঙ্গে বলেন, 'অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে সাম্প্রতিক পতনের পেছনে মূলত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, ইউনিটপ্রতি রপ্তানি মূল্য হ্রাস ও কিছু বাজারে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব রয়েছে। অনেক দেশে মূল্যচাপের কারণে ক্রেতারা কম দামে পণ্য কিনছেন, ফলে রপ্তানির আর্থিক মূল্য কমে গেছে।'

উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতা দুর্বল থাকায় পোশাকের চাহিদা প্রত্যাশিত হারে বাড়েনি। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতারা মজুত কমানো এবং সতর্ক ক্রয়নীতির কারণে নতুন অর্ডার সীমিত রেখেছে। এই চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতিতে, বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে টিকে থাকতে হলে নতুন বাজার অনুসন্ধান, পণ্যের বৈচিত্র্য আনা এবং উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণের দিকে আরও বেশি মনোযোগ দিতে হবে। আগামী দিনে এই খাত কীভাবে ঘুরে দাঁড়ায়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের অর্থনীতি।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন