বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মেসির বাঁধভাঙা আবেগ: চোখে মুক্তির অশ্রু!

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মেসির বাঁধভাঙা আবেগ: চোখে মুক্তির অশ্রু!
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

গতকাল গভীর রাতে, অবিশ্বাস্য এক নাটকের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। এমন স্নায়ুচাপে এর আগের দুটি বিশ্বকাপ ফাইনালেও লিওনেল মেসি পড়েছিলেন কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এর আগের ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষেও কঠিন পরীক্ষা দিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছিল। কিন্তু সেই চাপকে ছাড়িয়ে গিয়েছিল আফ্রিকার আরেক দেশ মিশর। ম্যাচের শুরুতেই গোল হজম, এরপর পেনাল্টির সুযোগ। কিন্তু মহাতারকা মেসির সেই পেনাল্টি মিসে তৈরি হয় তুমুল হতাশা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আবারও মিশরের গোল! যদিও ভিএআর-এর কল্যাণে সাময়িকভাবে বেঁচে যায় আর্জেন্টিনা, কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই আবারও এগিয়ে যায় মিশর, ম্যাচের স্কোর দাঁড়ায় ২-০। পরপর দুই গোল হজম করার পর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হয় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের। এমন হৃদয়ভাঙা চাপে এর আগে আর কখনো তারা পড়েছিল কিনা সন্দেহ। ফুটবল বিশ্বের চোখ তখন মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামের দিকে। বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা কি তবে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে?

অবশেষে সেই চাপ থেকে মুক্তির মহামিলন শুরু হয়। ৭৯তম মিনিটে ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর বুলেট গতির হেডে ব্যবধান কমে। এরপর, ৮৩তম মিনিটে (প্রথম গোলের তিন মিনিট ১৫ সেকেন্ডের মাথায়) মেসির জাদুকরি বাম পায়ের শটে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা! নাটকীয়তার তখনো শেষ নয়। ম্যাচের ৯০+২ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের আরও একটি হেড থেকে করা গোলে ৩-২ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার। প্রবল চাপ থেকে যেন মুক্তির সোপান রচিত হয় তাতে। বিজয়োল্লাসে মেতে ওঠে মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়াম, আর সেই ঢেউ মুহূর্তেই আছড়ে পড়ে পুরো পৃথিবীতে। বাংলাদেশেও তখন ছিল বাধভাঙা আনন্দের জোয়ার, মিছিল আর আতশবাজি ফোটানোয় মুখর ছিল সারা দেশ।

কিন্তু যার কারণে তৈরি হয়েছিল এই স্নায়ুচাপ, মহাতারকার তকমা নিয়ে যিনি পেনাল্টি মিস করেছিলেন, তাঁর হাত ধরেই যখন একটি অ্যাসিস্ট ও একটি গোলে মুক্তির সোপান রচিত হয়, তখন তাঁর কী অবস্থা হতে পারে, একবার ভেবে দেখুন! হ্যাঁ, লিওনেল মেসিও তো মানুষ। স্বাভাবিক আবেগ-অনুভূতি তাঁরও আছে। এমন হৃদয়ভাঙা চাপ থেকে যখন মুক্তি মিললো, তখন তিনিও আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। মুক্তির আনন্দে কেঁদে দিলেন। শেষ বাঁশি বাজতেই চোখে অশ্রু এলো তাঁর। এ যেন বিশ্বকাপ জয়ের চেয়েও বেশি কিছু। কোচ লিওনেল স্কালোনি এসে জড়িয়ে ধরেন তাকে, এরপর ছুটে এলেন সতীর্থরা। এই রোমাঞ্চকর জয় সম্ভবত মেসির ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, যেখানে তিনি প্রমাণ করলেন, সব চাপ জয় করে ফিরে আসার এক অবিশ্বাস্য ক্ষমতা তাঁর আছে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন