বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

মহাকাশে আধিপত্যের লড়াই: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা!

মহাকাশে আধিপত্যের লড়াই: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা!
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

আজ বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬, বিশ্বজুড়ে মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের উত্তাপ বাড়ছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র, যারা দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশ গবেষণার অগ্রভাগে রয়েছে, অন্যদিকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসা চীন। এই দুই পরাশক্তির মধ্যে কে মহাকাশে শেষ হাসি হাসবে, তা নিয়ে চলছে তীব্র জল্পনা ও প্রতিযোগিতা। তাদের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়, এটি ভূ-রাজনৈতিক ক্ষমতা ও ভবিষ্যতের সম্পদ নিয়ন্ত্রণেরও এক বিশাল যুদ্ধক্ষেত্র।

যুক্তরাষ্ট্র তার আর্টেমিস প্রোগ্রামের মাধ্যমে চাঁদে মানবজাতির স্থায়ী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। ২০২৪ সালে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা থাকলেও, বর্তমানে তা ২০২৬ সালের নভেম্বরের দিকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য শুধু চাঁদে পৌঁছানো নয়, বরং মঙ্গলে মানব অভিযানের ভিত্তি স্থাপন করা। এছাড়াও, বেসরকারি মহাকাশ সংস্থাগুলোর দ্রুত অগ্রগতি মার্কিন মহাকাশ কর্মসূচিতে নতুন গতি এনেছে। স্যাটেলাইট প্রযুক্তি, গভীর মহাকাশ অনুসন্ধান এবং সামরিক উপগ্রহে তাদের নেতৃত্ব প্রশ্নাতীত ছিল, কিন্তু চীনের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতা সেই স্থিতাবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে।

অন্যদিকে, চীনও মহাকাশে নিজেদের প্রভাব বিস্তারে পিছিয়ে নেই। নিজস্ব তিয়াংগং মহাকাশ স্টেশন ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ কার্যকরী এবং সেখানে নিয়মিতভাবে চীনা নভোচারীরা কাজ করছেন। চাঁদের অদেখা পৃষ্ঠে সফল অবতরণ, মঙ্গল গ্রহে রোভার প্রেরণ এবং নিজস্ব স্যাটেলাইট নেভিগেশন সিস্টেম বেডুর বিস্তার চীনের সক্ষমতার প্রমাণ। বেইজিংয়ের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে মানব মিশন পাঠানো এবং ২০৪৫ সালের মধ্যে মহাকাশে বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা। তাদের এই অগ্রগতির হার বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য এক বিস্ময়।

এই মহাকাশ দৌড় কেবল গবেষণা ও অনুসন্ধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, এর বাণিজ্যিক ও সামরিক গুরুত্বও অপরিসীম। চাঁদে এবং গ্রহাণুগুলোতে মূল্যবান খনিজ পদার্থের অনুসন্ধান, মহাকাশে পর্যটনের বিকাশ এবং সামরিক নজরদারি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন উভয় দেশেরই প্রধান এজেন্ডা। এই প্রতিযোগিতা বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করছে এবং একইসাথে নতুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ আইন ও নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে। বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এই প্রতিযোগিতা একদিকে যেমন অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে, অন্যদিকে বৈশ্বিক মহাকাশ নীতির ভবিষ্যত নিয়েও ভাবিয়ে তুলছে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন