বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

মালয়েশিয়ায় ৬৮ হাজার প্রতিবন্ধীর কর্মসংস্থান: বৈশ্বিক অন্তর্ভুক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত!

মালয়েশিয়ায় ৬৮ হাজার প্রতিবন্ধীর কর্মসংস্থান: বৈশ্বিক অন্তর্ভুক্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত!
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে এক যুগান্তকারী সাফল্য অর্জিত হয়েছে। ২০২৩ সালের শুরু থেকে গত ৩১ মে, ২০২৬ পর্যন্ত দেশটির বেসরকারি খাতে মোট ৬৮ হাজার ১৯১ জন প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। মালয়েশিয়ার সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থা (পারকেসু)-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই বিশাল কর্মসংস্থান প্রকল্পে অটিজম, অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার (ADHD), ডিসলেক্সিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি এবং ‘রিটার্ন টু ওয়ার্ক’ কর্মসূচির অংশগ্রহণকারীরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এটি বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

দেশটির মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানান সম্প্রতি এক লিখিত সংসদীয় জবাবে জানিয়েছেন, এই নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩ হাজার ৬০৫ জন, যা মোট প্রায় ৫.৩ শতাংশ, সাবাহ রাজ্যের প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী। মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় (কেমুসা) প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নকে কেবল সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে নয়, বরং দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নের একটি কৌশলগত উপাদান হিসেবে বিবেচনা করছে। এই অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গি কেবল দেশের ভেতরের চাহিদা পূরণ করছে না, বরং একটি ন্যায়সঙ্গত ও শক্তিশালী শ্রমবাজার গঠনেও সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর অধীন বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং উপযুক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিরলস কাজ করছে। বিশেষ করে, সাবাহ রাজ্যের প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার ধারাবাহিক উদ্যোগ নিয়েছে। দক্ষতা উন্নয়নের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ বিভাগ (জেটিএম) যোগ্য সব আবেদনকারীর জন্য, প্রতিবন্ধীসহ, অ্যাডভান্সড টেকনোলজি ট্রেনিং সেন্টার, জাপান-মালয়েশিয়া টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট (জেএমটিআই) এবং প্রোটন ইনস্টিটিউট-এ প্রশিক্ষণের সুযোগ দিচ্ছে। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ রিঙ্গিত জীবনযাপন ভাতা পাচ্ছেন, পাশাপাশি তাদের টিউশন ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে এবং বিনামূল্যে আবাসন ও খাবারের সুবিধাও দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়াও, দক্ষতা উন্নয়ন বিভাগ (জেপিকে) মালয়েশিয়ান স্কিলস সার্টিফিকেশন সিস্টেম (এসপিকেএম)-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদান করছে। এর আওতায় মালয়েশিয়ান স্কিলস সার্টিফিকেট (এসকেএম), মালয়েশিয়ান স্কিলস ডিপ্লোমা (ডিকেএম), অ্যাডভান্সড মালয়েশিয়ান স্কিলস ডিপ্লোমা এবং মালয়েশিয়ান মডুলার স্কিলস সার্টিফিকেট (এসকেএমএম) অর্জনের সুযোগ রয়েছে। এই সমন্বিত উদ্যোগগুলো প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা রাখছে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন