বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

খামেনির শেষ যাত্রা মাশহাদে: কেন এই শহর ইরানের কাছে এত পবিত্র?

খামেনির শেষ যাত্রা মাশহাদে: কেন এই শহর ইরানের কাছে এত পবিত্র?
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আগামীকাল, ৯ই জুলাই ২০২৬, পবিত্র মাশহাদ নগরীতে দাফন করা হবে। তার প্রয়াণের পর তেহরানে অনুষ্ঠিত বিশাল শোকানুষ্ঠান শেষে, শেষকৃত্যের জন্য তার মরদেহ ইরানের এই আধ্যাত্মিক কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শিয়া মুসলিম বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ব্যক্তিত্বের শেষকৃত্য ঘিরে সারা বিশ্বে নজর রয়েছে এবং এটি একটি নতুন ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা করছে।

মাশহাদ শহর ইরানের কাছে শুধু ভৌগোলিকভাবেই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এর রয়েছে গভীর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য। এটি শিয়া ইসলামের অষ্টম ইমাম, ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ শিয়া তীর্থযাত্রী এখানে আসেন, এটিকে শিয়া মুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনার পর অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। এই শহরে সমাহিত হওয়াকে অত্যন্ত সম্মানের বিষয় বলে মনে করা হয়, যা একজন সর্বোচ্চ নেতার জন্য তার আধ্যাত্মিক অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করে।

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তার জীবদ্দশায় ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক বিশাল প্রভাব ফেলে গেছেন। প্রায় তিন দশক ধরে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদে আসীন ছিলেন এবং তার সিদ্ধান্তগুলি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। তার মাশহাদে দাফন হওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্ব এবং জনগণের কাছে একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা বহন করে। এটি একদিকে যেমন ইমাম রেজার প্রতি তার গভীর ভক্তি প্রকাশ করে, তেমনি অন্যদিকে শিয়া আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে মাশহাদের মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

ইসলামিক রেভল্যুশনের পর থেকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতারা প্রায়শই ধর্মীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে সমাহিত হয়েছেন। মাশহাদকে বেছে নেওয়া হয়েছে সম্ভবত এই বিশ্বাস থেকেই যে, ইমাম রেজার সান্নিধ্যে তার চিরশান্তি নিশ্চিত হবে এবং তার অনুসারীরা তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই পবিত্র স্থানে একত্রিত হতে পারবেন। এই ঘটনা ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ধর্মীয় কাঠামোতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। আগামীকাল, বৃহস্পতিবার, ইমাম রেজার পবিত্র মাজার সংলগ্ন স্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে, যা ইরানের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন