আজ ভোর রাত ৩:১৫ মিনিটে (০৮ জুলাই ২০২৬) এক আকস্মিক ডিজিটাল ঘোষণায় বিশ্ব অর্থনীতি স্তম্ভিত। বাংলাদেশ তার প্রথম সার্বভৌম ‘গ্রিন সুকুক বন্ড’ সফলভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে উন্মুক্ত করেছে, যা পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে ট্রিলিয়ন টাকা বিনিয়োগের দ্বার খুলে দিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের প্রভাবশালী কয়েকটি বিনিয়োগকারী সংস্থা এই বন্ডে প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে একক বৃহত্তম বিদেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ এই গ্রিন সুকুক বন্ড চালু করা সম্ভব হলো। এই বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ সরাসরি জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প এবং পরিবেশ সুরক্ষামূলক উদ্যোগে ব্যবহৃত হবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি শুধু দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করবে না, বরং বৈশ্বিক সবুজ অর্থায়নে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করবে। ড. ফারজানা খানম, একজন স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদ, আজ ভোররাতে এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে মন্তব্য করেছেন, “এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বাংলাদেশের অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। এটি প্রমাণ করে যে আমরা কেবল জলবায়ু ঝুঁকির শিকার নই, বরং এর সমাধানে বিশ্বকে নেতৃত্ব দিতেও সক্ষম।”
গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করলেও, গ্রিন সুকুক বন্ডের মতো উদ্ভাবনী আর্থিক উপকরণ ব্যবহারের ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ঘটনা দেশের ঋণ বাজারকে বৈচিত্র্যময় করবে এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের জন্য একটি নতুন পথ উন্মোচন করবে। বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, গভীর রাতে জানান, “আমরা এই সফলতায় অত্যন্ত আনন্দিত। এটি শুধু আর্থিক লেনদেন নয়, বৈশ্বিক জলবায়ু এজেন্ডায় বাংলাদেশের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিরও প্রতিফলন।” আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বন্ডের বিস্তারিত কাঠামো এবং বিনিয়োগকারীদের তালিকা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।