বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

ফিফা সভাপতির উপর তীব্র চাপ: ট্রাম্পের ফোন ও নৈতিকতা তদন্তের দাবি

ফিফা সভাপতির উপর তীব্র চাপ: ট্রাম্পের ফোন ও নৈতিকতা তদন্তের দাবি
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের ঘটনায় ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো আবারও তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন। গত মাসেই এই ঘটনা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অন্তত ৩৫ জন সদস্য ফিফার স্বাধীন নৈতিকতা কমিটির মাধ্যমে ইনফ্যান্তিনোর ভূমিকা তদন্তের দাবি জানিয়ে একটি চিঠি দেন। তাদের অভিযোগ, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফুটবলের নিরপেক্ষতা এবং ফিফার বিশ্বাসযোগ্যতাকে গুরুতর প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

বিতর্কের মূল কারণ হলো, ট্রাম্প নিজেই প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে তিনি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করে বালোগানের লাল কার্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিলেন। এর পরপরই ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বালোগানের এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়, যা তাকে বেলজিয়ামের বিপক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলার সুযোগ করে দেয়। এই ঘটনা দ্রুতই আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গনে আলোচনার ঝড় তোলে। ইউরোপীয় আইনপ্রণেতারা তাদের চিঠিতে স্পষ্ট জানিয়েছেন, খেলার মাঠে রাজনৈতিক প্রভাবের কোনো স্থান নেই। তাদের মতে, যদি ফিফার মতো সর্বোচ্চ ক্রীড়া সংস্থার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক চাপের কারণে প্রভাবিত হয়, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের সুশাসন ও ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং এর ফল সুদূরপ্রাসরী হবে।

ফিফা অবশ্য বরাবরের মতো দাবি করেছে যে, বালোগানের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ স্বাধীন শৃঙ্খলা কমিটি নিয়েছে এবং এতে সভাপতি ইনফ্যান্তিনো ব্যক্তিগতভাবে কোনো হস্তক্ষেপ করেননি। ফিফার একজন মুখপাত্র গতকাল (মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬) এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমাদের শৃঙ্খলা কমিটি সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন এবং তারা নিজেদের নিয়মনীতি অনুসরণ করেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। সভাপতির পক্ষ থেকে কোনো প্রকার প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ভিত্তিহীন।” তবে, এই ধরনের দাবি সত্ত্বেও, ইউরোপীয় আইনপ্রণেতারা তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছেন এবং স্বচ্ছ তদন্তের উপর জোর দিচ্ছেন।

এই ঘটনা ইনফ্যান্তিনোকে ঘিরে চলমান বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। গত বছর ট্রাম্পকে ফিফার ‘শান্তি পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফ্যান্তিনোর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। সেই সম্পর্কই এবার নতুন করে বিশ্ব ফুটবলে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের জন্ম দিয়েছে, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র আলোচনা চলছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থায় এমন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ খেলার মূল স্পিরিটকে ক্ষুণ্ণ করছে বলে মনে করছেন অনেকেই, এবং এই তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার দৃষ্টি।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন