বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬ইং
আসুন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই

আপনার ক্ষুদ্র অনুদান আমাদের সংবাদমাধ্যমকে স্বাধীন ও সোচ্চার রাখতে সাহায্য করবে।

ENG
সর্বশেষ
বন্যার ভয়াবহতা: ১১ জেলায় মধ্যরাতে বিজিবি মোতায়েন, জরুরি সতর্কতা রাঙামাটিতে গভীর রাতে আলোড়ন: ৫০০ বছরের পুরনো 'গুপ্ত নগরীর' উন্মোচন? তৈরি পোশাক শিল্পে সরকারের চরমপত্র: মধ্যরাতে উত্তাল বিজিএমইএ! প্রবল বর্ষণে থমকে ঢাকা-চট্টগ্রাম: জলমগ্ন সড়কে নাকাল জনজীবন প্রত্যন্ত জনপদে বিদ্যুৎ বিপ্লব: 'কমিউনিটি গ্রিন এনার্জি হাব'-এর ঝলক! দেশের প্রধান শহরগুলিতে উদ্বেগজনক বায়ুদূষণ: নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে জরুরি সতর্কতা! সুনামগঞ্জের হাওরে ভোররাতে রহস্যময় জলস্তর পতন: মহাবিপদে লাখো জীবন! সুন্দরবনের গভীরে রহস্যময় আলোর বিস্ফোরণ: ভোররাতে চমকে উঠেছে বিশ্ব! গভীর রাতে নারায়ণগঞ্জে বিষাক্ত বর্জ্যের ভয়াবহ নিঃসরণ: জরুরি অবস্থা জারি, আতঙ্কে জনপদ! লবণাক্ততা জয়: উপকূলীয় কৃষিতে নতুন বিপ্লবের ঘোষণা!

বিশ্বকাপের ক্লান্তি কাটান পাওয়ার ন্যাপে: কত মিনিটের ঘুম সবচেয়ে উপকারী?

বিশ্বকাপের ক্লান্তি কাটান পাওয়ার ন্যাপে: কত মিনিটের ঘুম সবচেয়ে উপকারী?
বিডিবি নিউজ চিত্র
বিডিবি নিউজ এর সর্বশেষ খবর পেতে গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি অনুসরণ করুন
বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই সংবাদটি এবং এর সাথে ব্যবহৃত ছবিটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে জেনারেট করা হয়েছে।

চার বছর পর আসা ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর উন্মাদনা এখন তুঙ্গে। গত ১১ জুন থেকে শুরু হয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলা এই মহাযজ্ঞে রাতের পর রাত জেগে প্রিয় দলের খেলা দেখা এক নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু আজ ০৮ জুলাই ২০২৬ তারিখে, যখন বিশ্বকাপ তার শেষ পর্যায়ের দিকে এগোচ্ছে, এই অগণিত রাত জাগার ফলে দিনের বেলায় ক্লান্তি, অবসাদ আর মনোযোগের অভাব আমাদের দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার সবচেয়ে বড় বন্ধু হতে পারে একটি 'পাওয়ার ন্যাপ' বা স্বল্পকালীন ঘুম।

পাওয়ার ন্যাপ হলো দিনের বেলায় নেওয়া একটি স্বল্প সময়ের ঘুম, যা শরীর ও মনকে দ্রুত সতেজ করে তোলে। এটি গভীর ঘুমের পর্যায়ে প্রবেশ না করেই মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পাওয়ার ন্যাপ গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পায়, মেজাজ ফুরফুরে থাকে, মানসিক চাপ কমে এবং কর্মক্ষেত্রে বা পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধি পায়। বিশ্বকাপের তীব্র ম্যাচের পর বা দীর্ঘ কাজের মাঝে এই ছোট্ট বিরতি আপনাকে নতুন উদ্যমে ফিরিয়ে আনতে পারে, যা আপনার দৈনন্দিন কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে অপরিহার্য।

তবে পাওয়ার ন্যাপের মূল মন্ত্র হলো এর সঠিক সময়কাল। 'কয় মিনিটে সবচেয়ে বেশি উপকার?' এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়কে চিহ্নিত করেছেন। সাধারণত, ২০ থেকে ৩০ মিনিটের একটি পাওয়ার ন্যাপই সবচেয়ে কার্যকর। এই সময়কালে আপনি গভীর ঘুমের পর্যায়ে প্রবেশ করেন না, ফলে ঘুম থেকে ওঠার পর তন্দ্রাচ্ছন্নতা বা 'স্লিপ ইনার্শিয়া' অনুভব করেন না। মাত্র ২০-৩০ মিনিটের এই ঘুম আপনাকে সতেজ, সতর্ক এবং কর্মক্ষম রাখতে অত্যন্ত সহায়ক। এর থেকে কম সময়ের ঘুম যথেষ্ট কার্যকর নাও হতে পারে, আবার এর থেকে বেশি সময় ঘুমালে আপনি গভীর ঘুমের ফাঁদে পড়তে পারেন, যা ঘুম থেকে ওঠার পর আরও বেশি ক্লান্তি নিয়ে আসতে পারে।

পাওয়ার ন্যাপের সর্বোচ্চ সুবিধা পেতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। দিনের মাঝামাঝি সময়ে, বিশেষ করে দুপুর ১টা থেকে ৩টার মধ্যে পাওয়ার ন্যাপ নেওয়া সবচেয়ে ভালো। একটি শান্ত, অন্ধকার এবং আরামদায়ক পরিবেশে ঘুমিয়ে পড়ুন। প্রয়োজনে আই মাস্ক বা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করতে পারেন। ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা স্ট্রেচিং বা এক গ্লাস পানি পান করলে দ্রুত সতেজতা ফিরবে। তাই, চলমান বিশ্বকাপ উপভোগ করার পাশাপাশি আপনার সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে আজ থেকেই আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করুন এই কার্যকর পাওয়ার ন্যাপ।

সর্বশেষ সংবাদ
বিডিবি নিউজ
অনুসন্ধান করুন